Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

সল্লাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ এর তথ্য বাতায়নে আপনাকে স্বাগতম।। বিনা ফি’তে জন্ম ও মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন করুন।। বসত বাড়ির উপর ধার্যকৃত কর পরিশোধ করুন, ইউনিয়ন এর উন্নয়নে সহযোগিতা করুন।। বাল্য বিবাহ রোধ করুন।। আঠারো এর আগে বিয়ে নয়, বিশ এর আগে সন্তান নয়। দু’টি সন্তানের বেশি নয় একটি হলে ভালো হয়।। গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান।। আপনার সন্তানকে স্কুলে পাঠান।।

অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রাম (OKUP)-নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে কাজ করে । হেল্পলাইন নম্বর-01842773300


শিরোনাম
মুক্তিযোদ্ধের বোদ্ধভূমি
স্থান
ইব্রহিমপুর গ্রাম
কিভাবে যাওয়া যায়
ইব্রাহিমপুর হালগড়া মাঠের বধ্যভুমি স্থানঃ ইব্রাহিমপুর হালগড়া মাঠ, ইব্রাহিমপুর, বেলাব, নরসিংদী। যোগাযোগঃ ঢাকা সিলেট মহাসড়ক হইতে নারায়ণপুর বাসষ্টেণ্ড অথবা মাহমুদাবাদ নামা পাড়া হইতে সি,এন,জি যোগে ইব্রাহিমপুর বাজার সংলগ্ন। আত্বকথাঃ নদী মাতৃক বাংলার সৌন্দর্য্যের ঐতিয্যে লালিত পুরাতন ব্রক্ষপুত্র নদীর পাড়ে অবস্থিত হালগড়া মাঠ।প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জনাব জিল্লুর রহমান শৈশবে এই মাঠে খেলাধুলা করতেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলা কালীন সময়ে পাক হানাদার বাহিনীর অস্ত্রের মুখে অগণিত দেশ প্রেমিক শাহাদাত বরণ করেন এই স্থানে। নদী পারাপারের একমাত্র রাস্তা হিসাবে এই স্থানকে কেন্দ্র করে পাক হানাদাররা শুরু করে বর্বর আক্রমণ। রেহাই দেয়নি তারা মন্তু মাঝি কেও। এই সময়ে এই মাঠটি পরিনিত হয় গণকবরে। শহীদদের স্মৃতি অস্নান করে রাখার জন্য প্রয়াত রাষ্ট্রপতির পরিদর্শনে নদীর দুই পাড়ে স্থাপন করা হয় দুইটি বধ্যভূমি। প্রতি বছর বিভিন্ন জাতীয় দিবসে দেশ প্রেমিক মানুষ শহীদদের স্মরন করতে ফুলের তুড়া নিয়ে ভীড় জমায় এই স্থানে।
বিস্তারিত

ইব্রাহিমপুর হালগড়া মাঠের বধ্যভুমি স্থানঃ  ইব্রাহিমপুর হালগড়া মাঠ, ইব্রাহিমপুর, বেলাব, নরসিংদী। যোগাযোগঃ ঢাকা সিলেট মহাসড়ক হইতে নারায়ণপুর বাসষ্টেণ্ড অথবা মাহমুদাবাদ নামা পাড়া হইতে সি,এন,জি যোগে ইব্রাহিমপুর বাজার সংলগ্ন। আত্বকথাঃ  নদী মাতৃক বাংলার সৌন্দর্য্যের ঐতিয্যে লালিত পুরাতন ব্রক্ষপুত্র নদীর পাড়ে অবস্থিত হালগড়া মাঠ।প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জনাব জিল্লুর রহমান শৈশবে এই মাঠে খেলাধুলা করতেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলা কালীন সময়ে পাক হানাদার বাহিনীর অস্ত্রের মুখে অগণিত দেশ প্রেমিক শাহাদাত বরণ করেন এই স্থানে। নদী পারাপারের একমাত্র রাস্তা হিসাবে এই স্থানকে কেন্দ্র করে পাক হানাদাররা শুরু করে বর্বর আক্রমণ। রেহাই দেয়নি তারা মন্তু মাঝি কেও। এই সময়ে এই মাঠটি পরিনিত হয় গণকবরে। শহীদদের স্মৃতি অস্নান করে রাখার জন্য প্রয়াত রাষ্ট্রপতির পরিদর্শনে নদীর দুই পাড়ে স্থাপন করা হয় দুইটি বধ্যভূমি। প্রতি বছর বিভিন্ন জাতীয় দিবসে দেশ প্রেমিক মানুষ শহীদদের স্মরন করতে ফুলের তুড়া নিয়ে ভীড় জমায় এই স্থানে।